বাংলার ট্যুরিষ্ট

বাংলার ট্যুরিষ্ট

মুজিব নগর ভ্রমন

মেহেরপুর যাওয়ার সিদ্ধান্ত হঠাৎ করেই নিতে হলো। আমার নিজের কোন প্লান ছিলো না। বন্ধু ফারহানার ইচ্ছে হয়েছে সে মুজিবনগর বেড়াতে যাবে। ক্লাসে অনেককে সে বোঝানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু এপ্রিলের এই গরমে কারোরই যাওয়ার আগ্রহ দেখতে পেলাম না। ফারহানা শেষ পর্যন্ত আমাকে ধরে বসলো। ফারহানা সহজ সরল একটু পাগলাটে টাইপের। আমি রাজি হই না। বলি বিয়ের পরে স্বামীর সাথে যেও। সেও নাছোড় বান্দা। এই বছর শেষেই মাস্টার্স পরীক্ষা। তারপর চাকুরীজীবন, সংসার জীবন। কি হবে কে জানে! হোক সে আমার ভালো বন্ধু, কিন্তু একটা মেয়েকে নিয়ে একলা যেতে মন সরছিলো না। ফারহানার পীড়াপিড়িতে শেষ পর্যন্ত রাজী হলাম।

খান জাহান আলীর মাজারে। বাগেরহাট ভ্রমন

অনেকদিন থেকে লিখব লিখব ভাবছি, কিন্ত লেখা হয়ে ওঠে না। আজ কয়েক বছর পর স্মৃতি হাতড়ে লিখতে বসলাম বাগেরহাট ভ্রমনের ইতিবৃত্ত। আমি সেভাবে লেখালেখি করিনা। মাঝে মাঝে লেখার সখ জাগে। কিন্তু আলসেমী করে আর লেখা হয়ে ওঠে না। তখন আমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ছি খুলনা পাবলিক কলেজে। থাকি দৌলতপুরের পাবলা তিন দোকানের মোড়ের এদিকের একটা মেসে। ২০০৩ সাল। আমার একজন কাছের মানুষ তপনদা। তপনদার সাথে পরিচয় হয় চালনার পশুর নদীর শাখা নদী চুনকুড়ি নদীর পাড়ে। কলেজের ছুটিতে বাড়ী গেছি। আমি প্রতিদিনের মতই একা বসে ছিলাম নদীর পাড়ে। পাতলা ছিপছিপে একটা ছেলে বাদাম খেতে খেতে আমার দিকে এগিয়ে আলো। বাদামের প্যাকেট বাড়িয়ে দিয়ে

রোজার ছুটিতে নিজ গ্রামে ভ্রমণ

২৫ শে রমজান, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০, সোমবার।
৪২ দ্দিনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেল। রোজার ছুটি। ছুটির দিনগুলোর বেশিরভাগ কাটিয়ে দিলাম চালনাতে। প্রতিদিনের গদবাঁধা একই রুটিন। ভোর রাতে সেহেরী খেয়ে ঘুম, ঘুম থেকে উঠেই কম্পিউটারের সামনে বসা। নেট ঘাটাঘাটি। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া। বিকেলে নদীর পাশে গিয়ে বসি। খোলা আকাশ, মুক্ত বাতাস আর আমি। দিগন্ত রেখার দিকে চেয়ে চেয়ে পার করি সময়। ইফতারীর আগে বাসায় ফিরি। লেবু চিপে চিনি মিশিয়ে সরবাত বানাই, ছোলা-মুড়ি মাখাই, আম্মার বানানো পেঁয়াজু বেগুনী দিয়ে ইফতারীর টেবিল সাজাই। কোন না কোন ফল থাকে। সেগুলোকে কাটি। আব্বু আম্মু আর আমি এক সাথে বসে ইফতারী করি। ফিরোজ মসজিদে যায় ইফতারি করতে। আমাদের এলাকায় এখনো মসজিদে রোজাদারদের ইফতারি করানোর সিস্টেম টিকে আছে।

বাংলাদেশের দর্শনীয় কিছু স্থান

খুলনা বিভাগ

বাগেরহাট
ষাট গম্বুজ মসজিদ, খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার, সিঙ্গাইর মসজিদ, বিবি বেগনী মসজিদ, চুনখোলা মসজিদ, পীর আলী মুহাম্মদ তাহেরের সমাধি, এক গম্বুজ মসজিদ, নয় গম্বুজ মসজিদ, সাবেক ডাঙ্গা পুরাকীর্তি, রণবিজয়পুর মসজিদ, জিন্দাপীর মসজিদ, রেজা খোদা মসজিদ, খানজাহানের বসতভিটা, ঢিবি, কোদলা মঠ, ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী শহীদ কৃষক রহিমুল্লাহর বাড়ি, মোরেলের স্মৃতিসৌধ, ১৮৬৩ সালে তৎকালীন এসডিও মংলা পোর্ট, চিলা চার্চ, কবি রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর সমাধি, প্রফুল্ল ঘোষের বসতবাড়ি, নীলসরোবর, জমিদার ক্ষিতিষ চন্দ্রের বসতবাড়ির ধ্বংসাবশেষ, শাহ আউলিয়াবাগ মাজার, হজরত খানজাহান আলীর (রহ.) সহচর পীর শাহ আউলিয়ার মাজার, নাটমন্দির, রামজয় দত্তের কাছারিবাড়ি। ব্রিটিশ সেনাদের পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। কৃষ্ণমূর্তি, গোপাল জিউর মন্দির, লাউপালা, যাত্রাপুর, দুবলার চর, কটকা, কচিখালি, সুন্দরবন।