বাংলার ট্যুরিষ্ট

বাংলার ট্যুরিষ্ট

জাবেল হাফিত পর্বতের অপরূপ সৌন্দয্য (ছবিব্লগ)।। লিখেছেনঃ রফিকুজজামান লিটন

জাবেল হাফিত আরব বিশ্বের সর্বোচ্চ পাহাড়। পাহাড়টির উচ্চতা ৪০৯৮ ফিট। পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে সমতল থেকে প্রায় ১২ কি. মি. পথ পারি দিতে হয়। এটি আরব আমিরাতের "আল আইন" নামক শহরে ওমান বর্ডারের কাছে অবস্থিত। আশরাফ ভাই বলছেন আল আইন এসেছেন আর জাবেল হাফিতে যাবেন না এটা কি হয় ? চলেন ঘুরে আসি। আমরা শহর থেকে পাহাড়ের দিকে যেতে শুরু করছি। সাথে আছে আশরাফ ভাই, ভাবি , ফজলু ভাই । আশরাফ ভাই গাড়ি ড্রাইভ করছে। রাতের আলোতে আল আইন শহরটা বেশ ভলো লাগছে। অনেক গাছ , প্রসস্থ রাস্তা , নেই কোনো জ্যাম। কিছুদুর যেতেই দূর থেকে চোখে পড়ল উচু পাহাড়। 

‘সাংগ্রাই’, ‘পানখাইয়া পাড়া’ এবং আবু বকর ভাইয়ের অজানা প্রেমানুভুতি (ভ্রমণ কাহিনী) # লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়

গেল বছর মানে ২০১৩ সালে বৈশাখ উদযাপনে খাগড়াছড়ি যাওয়ার কথা থাকলেও পরিবহণ ধর্মঘটের কারণে সেবার যাওয়া হয় নাই। এইবার তেমন টানা ছুটি ছিল না। তারপরও ২০১৪ এর বৈশাখ উদযাপন করেছি খাগড়াছড়ির ‘পানখাইয়া পাড়া’ নামক গ্রামে যা একটি মারমা অধ্যুষিত এলাকা। আর এই এলাকার প্রতি আমাদের ট্যুর লিডার আবু বকর ভাইয়ের এক অজানা প্রেমানুভুতি নিয়েই আজকের লেখা।ঘটনা শুরুর পহেলা বৈশাখের সপ্তাহখানেক আগে। ভ্রমণবন্ধু রনিউল ইসলাম রনি অনলাইন চ্যাট এ জানতে চাইলো এবার পহেলা বৈশাখে কোথাও যাচ্ছি কি না? আমার তেমন কোন প্ল্যানই ছিল না এবার কোথাও যাওয়ার। সে জানালো তারা ১৩ তারিখ রাতে ৪/৫ জন কলিগ এন্ড ফ্রেন্ড মিলে খাগড়াছড়ি যাচ্ছে জাস্ট ফর ওয়ান ডে। অর্থাৎ ১৩ তারিখ রাতে যেয়ে ১৪ তারিখ রাতের গাড়ীতেই আবার ঢাকা ব্যাক করা কারণ সবার ১৫ তারিখ অফিস খোলা। আমায় সে জিজ্ঞাসা করলো আমি যাবো কি না? আমি সানন্দে বললাম, ‘নিলে তো যেতাম’। এই থেকে শুরু, রনি আর আমার মিলিত সিদ্ধান্তে ‘ভ্রমণ বাংলাদেশ’ থেকে একটা ইভেন্ট দেয়া হল এবং স্বল্প সময়ে ১৭/১৮ জনের দল তৈরি হয়ে গেল। আর এই ভ্রমণের টিম লিডার এন্ড এরেঞ্জার হিসেবে বেঁছে নিলাম ‘ভ্রমণ বাংলাদেশ’ এর কার্যকরী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ‘ইকো ট্রাভেলার্স’এর অন্যতম ওউনার আবু বকর ভাইকে। যে কোন ট্যুর এরেঞ্জমেণ্টে উনার জুড়ি মেলা ভার।তো যাই হোক, ঈগল পরিবহণের রাত বারোটার গাড়ীতে আমাদের টিকেট কাটা হল খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে। সেই গাড়ী ছাড়লো রাত দেড়টায়। গাড়ীতে উঠে সবাই হইচই আর গান ভাজতে ভাজতে সময়টুকু উপভোগ্য করে নিতে চাইছিলাম। কিন্তু পরের দিন টানা দৌড়ের উপর থেকে আবার ঢাকায় ফেরার ধকল মনে করে একটু ঘুমিয়ে নিলাম সবাই। ভোর বেলা যখন আমাদের বাস পার্বত্য এলাকায় প্রবেশ করলো আমারা সবাই একে একে সোজা হয়ে বসে জানালা দিয়ে পাহাড়ের সকাল বলার সৌন্দর্য উপভোগ করতে লাগলাম। বেলা সাতটা নাগাদ আমাদের বাস আমাদেরকে নামিয়ে দিল খাগড়াছড়ি’র পর্যটন মোটেলে, যেখানে আমাদের জন্য রুম বুক করা ছিল। আমরা লাগেজ রেখে সবাই দ্রুত ফ্রেশ হয়ে নিলাম।

লেক কিভু থেকে লেক টাঙ্গানিকা- বুকাভু, কঙ্গো # লিখেছেনঃ শোভন শামস

বুজুম্বুরা শহর লেক টাঙ্গানিকার পাশে। পাহাড়ের ঢালে শহরটা গড়ে উঠেছে।
পাহাড় থেকেও লেকের অপরূপ দৃশ্য দেখা যায়


লেক টাঙ্গানিকার বীচ







ঢেউ এর দোলা- লেক টাঙ্গানিকার 







বোরা বোরা বীচ রিসোর্ট





ফিরে এলাম আপন নিবাসে
নিয়ে এলাম কিছু স্মৃতি
আর কিছু সুন্দর সময় ----

উত্তর-পূর্ব ভারত // ভারত এর পাহাড়- পর্বতে ৯০ দিন # লিখেছেনঃ তারাবেষ্ট

উত্তর-পূর্ব ভারত বলতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিক্কিম, আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যসংলগ্ন অঞ্চলটিকে বোঝায় । 

আসাম বা অসম (অসমীয়া: অসম অখ়ম্‌) ভারতের একটি রাজ্য। উত্তরপূর্ব ভারতের এই রাজ্যটি হিমালয়ের দক্ষিণে অবস্থিত এবং এর অভ্যন্তরে রয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ, বরাক উপত্যকা এবং উত্তর কাছাড় পর্বতমালা। উত্তর পূর্ব ভারতের আরও সাতটি রাজ্য যথা, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা, এবং মেঘালয় দ্বারা আসাম বেষ্টিত এবং আসামসহ প্রতিটি রাজ্যই উত্তরবঙ্গের একটি সংকীর্ণ অংশ দ্বারা ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে সংযুক্ত। এছাড়াও আসামের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভূটান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে।