বাংলার ট্যুরিষ্ট

বাংলার ট্যুরিষ্ট

ভ্রমন পোষ্টঃ যার কেউ নাই, তার আছে সিলেট # লিখেছেনঃ কাল্পনিক ভালোবাসা

প্রিয় পাঠক, সিলেট-ভ্রমন কাহিনী শুরু করার আগে একটি অন্যরকম বিড়ম্বনার গল্প আপনাদের সাথে শেয়ার করতে চাই। নিয়মিত লঞ্চে যাতায়াত করতে হয় - এমন অঞ্চলের জনৈক ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে লম্বা বাস জার্নি করতে গিয়েই এই বিড়ম্বনার সুত্রপাত। যার কথা বলছি, সেই ভদ্রলোকের বাড়ি বরিশালের পটুয়াখালীতে। পেশায় তিনি একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। তার সাথে এখন পর্যন্ত যে কয়বার আমাদের বাস জার্নির অভিজ্ঞতা হয়েছে তাতে প্রতিবারই তাকে লঞ্চ ভ্রমনের প্রস্তুতি নিয়ে বাসে উঠতে দেখা গেছে।

বর্ষায় জলপথে বিছনাকান্দি, পাংথুমাই এবং লক্ষণছড়ায় একদিন...

আগে বারকয়েক যাবার পরিকল্পনা করলেও বিভিন্ন কারণে যাওয়া হচ্ছিল না। এবার অনেকটা হুটহাট করেই সিদ্ধান্ত নিলাম বিছনাকান্দি যাচ্ছি। সঙ্গী হল আরও ৭ জন ক্লাসমেট। আবহাওয়া সত্যিকার অর্থেই ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী ও আরামদায়ক। সকাল ১০ টায় আম্বরখানা পৌঁছে হাদারপাড়ের উদ্দেশ্যে সিএনজি অটোরিক্সায় উঠলাম। ভাড়া জনপ্রতি ৮০ টাকা।রাস্তার অবস্থা সব জায়গায় খুব বেশি ভালো না হলেও অটোরিক্সা নিয়ে কখনও চাবাগান, কখনও দিগন্ত বিস্তৃত ফসলের মাঠ, রাস্তার দুধারে গগনচুম্বী বৃক্ষ, কখনও পাথর ভাঙ্গার কারখানা। তবে পরিবেশ একেবারেই বদলে গেল সালুটিকর পার হওয়ার পর। পাহাড়ী ঢলে পথের দুই ধারেই দুচোখ যতদূর যায় শুধু পানি আর পানি। অনেক জায়গায় রাস্তাতেও পানি উঠে গেছে। গাছগুলো যেভাবে পানিতে ডুবে আছে দেখলে আনমনে ভেবে বসতে পারেন, ড্রাইভার সাহেব কি ভুল করে রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্টে নিয়ে আসলো নাকি? সে অর্থে যাত্রা পথেই ভ্রমণের অর্ধেক পয়সা উসুল, কোন প্রকার ভ্রমণ বিরক্তির তো প্রশ্নই উঠে না। আর আপনি স্পটের যত কাছে যাবেন মেঘের দেশের অস্পস্ট নীলাভ পাহাড়গুলো তত স্পষ্ট হতে থাকবে। কীভাবে সময় চলে যাবে টেরও পাবেন না। 

মিশন বান্দরবন

সময় পেলে ঘুরে আসতে পারেন সৌন্দর্যের অপূর্ব লীলাভুমি বান্দরবান। এটি বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র।যেখানে আকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমায়, এই সেই পাহাড়ের বন বান্দরবন। অসংখ্য আকাশ চুম্বি পাহাড় রয়েছে অগণিত ,যার গনণার শেষ নেই।
এটি বেড়ানোর খুবই চমৎকার সময় এ জন্য যে, এ সমায় তেমন শীতও নেই আবার তেমন গরমও নেই,আবার বৃষ্টি বাদল বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় না! সেই সময় হল জানুয়ারি অথবা মার্চের মাঝামাঝি কোন এক সময় ।

অপূর্ব বান্দরবান - নীল গিরি ... লিখেছেনঃ শোভন শামস

চিম্বুক পার হলেই পাহাড়ের রুপ আরও পাল্টে যায়



নীল গিরির পথে...... লিখেছেনঃ অপরাজিত

বান্দরবানের নীল গিরি যাবার প্রথম পরিকল্পনা আমার মাথায় আসে তখনকার অস্থায়ী সরকারপ্রধাণ ফখরুদ্দিনের অবকাশ যাপনের জন্য নীল গিরি সফরের মাধ্যমে। এ সফরের ঘটনা আমি পত্রিকার মাধ্যমে পড়েছিলাম। পত্রিকার নীল গিরি সম্বন্ধে অতিরঞ্জিত লেখার দরুণ নীল গিরি ঘোরার জন্য আমি প্রায় ব্যাকুল হয়ে উঠি। কিন্তু উৎসাহ থমকে গেল যখন শুনলাম জায়গাটি খুবই দূর্গম এলাকায় এবং সরকারী প্রোটোকল ছাড়া সেখানে সাধারন ভ্রমনকারীদের যাত্রা করাটা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কিন্তু স্বপ্ন যে এত দ্রুত বাস্তবতা লাভ করবে তা বুঝতে পারিনি।

জাবেল হাফিত পর্বতের অপরূপ সৌন্দয্য (ছবিব্লগ)।। লিখেছেনঃ রফিকুজজামান লিটন

জাবেল হাফিত আরব বিশ্বের সর্বোচ্চ পাহাড়। পাহাড়টির উচ্চতা ৪০৯৮ ফিট। পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে সমতল থেকে প্রায় ১২ কি. মি. পথ পারি দিতে হয়। এটি আরব আমিরাতের "আল আইন" নামক শহরে ওমান বর্ডারের কাছে অবস্থিত। আশরাফ ভাই বলছেন আল আইন এসেছেন আর জাবেল হাফিতে যাবেন না এটা কি হয় ? চলেন ঘুরে আসি। আমরা শহর থেকে পাহাড়ের দিকে যেতে শুরু করছি। সাথে আছে আশরাফ ভাই, ভাবি , ফজলু ভাই । আশরাফ ভাই গাড়ি ড্রাইভ করছে। রাতের আলোতে আল আইন শহরটা বেশ ভলো লাগছে। অনেক গাছ , প্রসস্থ রাস্তা , নেই কোনো জ্যাম। কিছুদুর যেতেই দূর থেকে চোখে পড়ল উচু পাহাড়। 

‘সাংগ্রাই’, ‘পানখাইয়া পাড়া’ এবং আবু বকর ভাইয়ের অজানা প্রেমানুভুতি (ভ্রমণ কাহিনী) # লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়

গেল বছর মানে ২০১৩ সালে বৈশাখ উদযাপনে খাগড়াছড়ি যাওয়ার কথা থাকলেও পরিবহণ ধর্মঘটের কারণে সেবার যাওয়া হয় নাই। এইবার তেমন টানা ছুটি ছিল না। তারপরও ২০১৪ এর বৈশাখ উদযাপন করেছি খাগড়াছড়ির ‘পানখাইয়া পাড়া’ নামক গ্রামে যা একটি মারমা অধ্যুষিত এলাকা। আর এই এলাকার প্রতি আমাদের ট্যুর লিডার আবু বকর ভাইয়ের এক অজানা প্রেমানুভুতি নিয়েই আজকের লেখা।ঘটনা শুরুর পহেলা বৈশাখের সপ্তাহখানেক আগে। ভ্রমণবন্ধু রনিউল ইসলাম রনি অনলাইন চ্যাট এ জানতে চাইলো এবার পহেলা বৈশাখে কোথাও যাচ্ছি কি না? আমার তেমন কোন প্ল্যানই ছিল না এবার কোথাও যাওয়ার। সে জানালো তারা ১৩ তারিখ রাতে ৪/৫ জন কলিগ এন্ড ফ্রেন্ড মিলে খাগড়াছড়ি যাচ্ছে জাস্ট ফর ওয়ান ডে। অর্থাৎ ১৩ তারিখ রাতে যেয়ে ১৪ তারিখ রাতের গাড়ীতেই আবার ঢাকা ব্যাক করা কারণ সবার ১৫ তারিখ অফিস খোলা। আমায় সে জিজ্ঞাসা করলো আমি যাবো কি না? আমি সানন্দে বললাম, ‘নিলে তো যেতাম’। এই থেকে শুরু, রনি আর আমার মিলিত সিদ্ধান্তে ‘ভ্রমণ বাংলাদেশ’ থেকে একটা ইভেন্ট দেয়া হল এবং স্বল্প সময়ে ১৭/১৮ জনের দল তৈরি হয়ে গেল। আর এই ভ্রমণের টিম লিডার এন্ড এরেঞ্জার হিসেবে বেঁছে নিলাম ‘ভ্রমণ বাংলাদেশ’ এর কার্যকরী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ‘ইকো ট্রাভেলার্স’এর অন্যতম ওউনার আবু বকর ভাইকে। যে কোন ট্যুর এরেঞ্জমেণ্টে উনার জুড়ি মেলা ভার।তো যাই হোক, ঈগল পরিবহণের রাত বারোটার গাড়ীতে আমাদের টিকেট কাটা হল খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে। সেই গাড়ী ছাড়লো রাত দেড়টায়। গাড়ীতে উঠে সবাই হইচই আর গান ভাজতে ভাজতে সময়টুকু উপভোগ্য করে নিতে চাইছিলাম। কিন্তু পরের দিন টানা দৌড়ের উপর থেকে আবার ঢাকায় ফেরার ধকল মনে করে একটু ঘুমিয়ে নিলাম সবাই। ভোর বেলা যখন আমাদের বাস পার্বত্য এলাকায় প্রবেশ করলো আমারা সবাই একে একে সোজা হয়ে বসে জানালা দিয়ে পাহাড়ের সকাল বলার সৌন্দর্য উপভোগ করতে লাগলাম। বেলা সাতটা নাগাদ আমাদের বাস আমাদেরকে নামিয়ে দিল খাগড়াছড়ি’র পর্যটন মোটেলে, যেখানে আমাদের জন্য রুম বুক করা ছিল। আমরা লাগেজ রেখে সবাই দ্রুত ফ্রেশ হয়ে নিলাম।

লেক কিভু থেকে লেক টাঙ্গানিকা- বুকাভু, কঙ্গো # লিখেছেনঃ শোভন শামস

বুজুম্বুরা শহর লেক টাঙ্গানিকার পাশে। পাহাড়ের ঢালে শহরটা গড়ে উঠেছে।
পাহাড় থেকেও লেকের অপরূপ দৃশ্য দেখা যায়


লেক টাঙ্গানিকার বীচ







ঢেউ এর দোলা- লেক টাঙ্গানিকার 







বোরা বোরা বীচ রিসোর্ট





ফিরে এলাম আপন নিবাসে
নিয়ে এলাম কিছু স্মৃতি
আর কিছু সুন্দর সময় ----

উত্তর-পূর্ব ভারত // ভারত এর পাহাড়- পর্বতে ৯০ দিন # লিখেছেনঃ তারাবেষ্ট

উত্তর-পূর্ব ভারত বলতে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিক্কিম, আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, মেঘালয়, মণিপুর, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যসংলগ্ন অঞ্চলটিকে বোঝায় । 

আসাম বা অসম (অসমীয়া: অসম অখ়ম্‌) ভারতের একটি রাজ্য। উত্তরপূর্ব ভারতের এই রাজ্যটি হিমালয়ের দক্ষিণে অবস্থিত এবং এর অভ্যন্তরে রয়েছে ব্রহ্মপুত্র নদ, বরাক উপত্যকা এবং উত্তর কাছাড় পর্বতমালা। উত্তর পূর্ব ভারতের আরও সাতটি রাজ্য যথা, অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম, ত্রিপুরা, এবং মেঘালয় দ্বারা আসাম বেষ্টিত এবং আসামসহ প্রতিটি রাজ্যই উত্তরবঙ্গের একটি সংকীর্ণ অংশ দ্বারা ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে সংযুক্ত। এছাড়াও আসামের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভূটান এবং বাংলাদেশের সঙ্গে। 

মুজিব নগর ভ্রমন

মেহেরপুর যাওয়ার সিদ্ধান্ত হঠাৎ করেই নিতে হলো। আমার নিজের কোন প্লান ছিলো না। বন্ধু ফারহানার ইচ্ছে হয়েছে সে মুজিবনগর বেড়াতে যাবে। ক্লাসে অনেককে সে বোঝানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু এপ্রিলের এই গরমে কারোরই যাওয়ার আগ্রহ দেখতে পেলাম না। ফারহানা শেষ পর্যন্ত আমাকে ধরে বসলো। ফারহানা সহজ সরল একটু পাগলাটে টাইপের। আমি রাজি হই না। বলি বিয়ের পরে স্বামীর সাথে যেও। সেও নাছোড় বান্দা। এই বছর শেষেই মাস্টার্স পরীক্ষা। তারপর চাকুরীজীবন, সংসার জীবন। কি হবে কে জানে! হোক সে আমার ভালো বন্ধু, কিন্তু একটা মেয়েকে নিয়ে একলা যেতে মন সরছিলো না। ফারহানার পীড়াপিড়িতে শেষ পর্যন্ত রাজী হলাম।

খান জাহান আলীর মাজারে। বাগেরহাট ভ্রমন

অনেকদিন থেকে লিখব লিখব ভাবছি, কিন্ত লেখা হয়ে ওঠে না। আজ কয়েক বছর পর স্মৃতি হাতড়ে লিখতে বসলাম বাগেরহাট ভ্রমনের ইতিবৃত্ত। আমি সেভাবে লেখালেখি করিনা। মাঝে মাঝে লেখার সখ জাগে। কিন্তু আলসেমী করে আর লেখা হয়ে ওঠে না। তখন আমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ছি খুলনা পাবলিক কলেজে। থাকি দৌলতপুরের পাবলা তিন দোকানের মোড়ের এদিকের একটা মেসে। ২০০৩ সাল। আমার একজন কাছের মানুষ তপনদা। তপনদার সাথে পরিচয় হয় চালনার পশুর নদীর শাখা নদী চুনকুড়ি নদীর পাড়ে। কলেজের ছুটিতে বাড়ী গেছি। আমি প্রতিদিনের মতই একা বসে ছিলাম নদীর পাড়ে। পাতলা ছিপছিপে একটা ছেলে বাদাম খেতে খেতে আমার দিকে এগিয়ে আলো। বাদামের প্যাকেট বাড়িয়ে দিয়ে

রোজার ছুটিতে নিজ গ্রামে ভ্রমণ

২৫ শে রমজান, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১০, সোমবার।
৪২ দ্দিনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেল। রোজার ছুটি। ছুটির দিনগুলোর বেশিরভাগ কাটিয়ে দিলাম চালনাতে। প্রতিদিনের গদবাঁধা একই রুটিন। ভোর রাতে সেহেরী খেয়ে ঘুম, ঘুম থেকে উঠেই কম্পিউটারের সামনে বসা। নেট ঘাটাঘাটি। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়া। বিকেলে নদীর পাশে গিয়ে বসি। খোলা আকাশ, মুক্ত বাতাস আর আমি। দিগন্ত রেখার দিকে চেয়ে চেয়ে পার করি সময়। ইফতারীর আগে বাসায় ফিরি। লেবু চিপে চিনি মিশিয়ে সরবাত বানাই, ছোলা-মুড়ি মাখাই, আম্মার বানানো পেঁয়াজু বেগুনী দিয়ে ইফতারীর টেবিল সাজাই। কোন না কোন ফল থাকে। সেগুলোকে কাটি। আব্বু আম্মু আর আমি এক সাথে বসে ইফতারী করি। ফিরোজ মসজিদে যায় ইফতারি করতে। আমাদের এলাকায় এখনো মসজিদে রোজাদারদের ইফতারি করানোর সিস্টেম টিকে আছে।

বাংলাদেশের দর্শনীয় কিছু স্থান

খুলনা বিভাগ

বাগেরহাট
ষাট গম্বুজ মসজিদ, খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার, সিঙ্গাইর মসজিদ, বিবি বেগনী মসজিদ, চুনখোলা মসজিদ, পীর আলী মুহাম্মদ তাহেরের সমাধি, এক গম্বুজ মসজিদ, নয় গম্বুজ মসজিদ, সাবেক ডাঙ্গা পুরাকীর্তি, রণবিজয়পুর মসজিদ, জিন্দাপীর মসজিদ, রেজা খোদা মসজিদ, খানজাহানের বসতভিটা, ঢিবি, কোদলা মঠ, ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী শহীদ কৃষক রহিমুল্লাহর বাড়ি, মোরেলের স্মৃতিসৌধ, ১৮৬৩ সালে তৎকালীন এসডিও মংলা পোর্ট, চিলা চার্চ, কবি রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর সমাধি, প্রফুল্ল ঘোষের বসতবাড়ি, নীলসরোবর, জমিদার ক্ষিতিষ চন্দ্রের বসতবাড়ির ধ্বংসাবশেষ, শাহ আউলিয়াবাগ মাজার, হজরত খানজাহান আলীর (রহ.) সহচর পীর শাহ আউলিয়ার মাজার, নাটমন্দির, রামজয় দত্তের কাছারিবাড়ি। ব্রিটিশ সেনাদের পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। কৃষ্ণমূর্তি, গোপাল জিউর মন্দির, লাউপালা, যাত্রাপুর, দুবলার চর, কটকা, কচিখালি, সুন্দরবন।