আগে বারকয়েক যাবার পরিকল্পনা করলেও বিভিন্ন কারণে যাওয়া হচ্ছিল না। এবার অনেকটা হুটহাট করেই সিদ্ধান্ত নিলাম বিছনাকান্দি যাচ্ছি। সঙ্গী হল আরও ৭ জন ক্লাসমেট। আবহাওয়া সত্যিকার অর্থেই ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযোগী ও আরামদায়ক। সকাল ১০ টায় আম্বরখানা পৌঁছে হাদারপাড়ের উদ্দেশ্যে সিএনজি অটোরিক্সায় উঠলাম। ভাড়া জনপ্রতি ৮০ টাকা।রাস্তার অবস্থা সব জায়গায় খুব বেশি ভালো না হলেও অটোরিক্সা নিয়ে কখনও চাবাগান, কখনও দিগন্ত বিস্তৃত ফসলের মাঠ, রাস্তার দুধারে গগনচুম্বী বৃক্ষ, কখনও পাথর ভাঙ্গার কারখানা। তবে পরিবেশ একেবারেই বদলে গেল সালুটিকর পার হওয়ার পর। পাহাড়ী ঢলে পথের দুই ধারেই দুচোখ যতদূর যায় শুধু পানি আর পানি। অনেক জায়গায় রাস্তাতেও পানি উঠে গেছে। গাছগুলো যেভাবে পানিতে ডুবে আছে দেখলে আনমনে ভেবে বসতে পারেন, ড্রাইভার সাহেব কি ভুল করে রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্টে নিয়ে আসলো নাকি? সে অর্থে যাত্রা পথেই ভ্রমণের অর্ধেক পয়সা উসুল, কোন প্রকার ভ্রমণ বিরক্তির তো প্রশ্নই উঠে না। আর আপনি স্পটের যত কাছে যাবেন মেঘের দেশের অস্পস্ট নীলাভ পাহাড়গুলো তত স্পষ্ট হতে থাকবে। কীভাবে সময় চলে যাবে টেরও পাবেন না।